আপনার অ্যান্ডয়েড মোবাইল অথবা কমপিউটার দিয়ে প্রতি মাসে ৫০০০০ হাজার টাকা আয় করুন। আয় করার গোপনীয় ফরমূলা

আপনার অ্যান্ডয়েড মোবাইল অথবা কমপিউটার দিয়ে প্রতি মাসে ৫০০০০ হাজার টাকা আয় করুন। আয় করার গোপনীয় ফরমূলা
আসসালামু আলাইকুম, আশাকরি ভাল আছেন, আমি আপনাদের দোয়ার এবং আল্লাহ রহমতে ভাল আছি। আজ আমি অনলাইনের আয় এ বিষয়ে আলোচনা করব।
আমরা সবাই আয় করতে চায় কিন্তু কাজ না জানার কারণে পারিনা। ইন্টারেনে যত ধরনের কাজ আছে মধ্য সবচেয়ে সহজ কাজ হল অ্যাড কিক্ল করে আয় করা, যাকে আমরা বলে থাকি PTC = Pay Text Click। আপনি একটি ওয়েব সাইটে Register করে সেখানে প্রতিদিন কিছু কাজ করবেন, যার ফলে প্রতি কিক্ল এর কিছু টাকা পাবেন। যার ফলে প্রতিদিন আয় এর পরিমাণ সবোচ্ছ 0.06 সেন্ট = ৪ টাকা। এখন দেখা যাবে আপনি সবচেয়ে কম টাকা আয় কারতে পারবেন। ঐসকল সাইট যার মধ্য ৯৫ টি ওয়েবসাইট ভুয়া থাকে। যেমন. Neobux, cliesense, paidverts আমি এসকল সাইট খেকে তেমন আয় করতে পারিনি। এসব সাইট থেকে আপনি বেশি আয় করতে পারবেন না।
আজ এমন একটি সাইট এর সাথে পরিচয় করিয়ে দিব, যার ধারা আপনি মোবাইল অথবা কমপিউটার দিয়ে মাসে ৫০০০০ টাকা আয় করতে পাবেন। আর বকবক না করে শুরু কাজ শুরু করা হক।
বি:দ্র: আমি যেভাবে বলব সে ভাবে কাজ করলেই হবে, তাহলে আপনি সফল হবেনই।
আপনি যদি মোবাইল দিয়ে কাজ করত চান তাহলে নিচের থেকে Internet Browser ডাউনলোড করে নিতে হবে।
Download Browser  করে install করে নিবেন।
প্রথমে Register Here কিক্ল করুন। তারপর নিচের মত কিক্ল করে  করুন। Register Here

এবার নিচের মত একটি ফরম আসবে, সুন্দরভাবে তথ্য দিয়ে ফিলাপ করুন।


উপরের মত সঠিক তথ্য দিয়ে Register কিক্ল করে আপনার অ্যাকাউন্ড তৈরি করুন।
এবার Login কিক্ল করুন। তারপর নিচের মত করে আপনার Username এবং password দিয়ে Login করুন।

এবার আপনার অ্যাকাউন্ড প্রবেশ করতে পারবেন। নিচের মত Views Ads কিক্ল করুন।

এবার নিচে কিছু Ads পাবেন যা দেখলে আপনি আয় করতে পারবেন, নিচে দেখুন কিভাবে

যে কোন একটি লেখার উপরে কিক্ল করলে, আপনাকে নতুন পেজে নিয়ে যাবে,
নিচের মত আপনাকে কয়েক সেকেন্ড অপেক্ষা করতে হবে আপনাকে।

এবার নিচের মত উলঠানো মাথা তে কিক্ল করবেন।

এবার আপনার কাজ শেষ হরে নিচের মত একটি ঠিক চিন্হ আসবে।

কিভাবে মাসে ৫০০০০ হাজার টাকা আয় করবেন?
আপনি প্রতিদিন রাত ৭ টার সময় Account প্রবেশ করে ২২ সেন্ট করে আয় করলেন। এভাবে আপনাকে ১০ দিন কাজ করতে হবে। ১০ দিন পর আপনার আয় হবে 2.22$ ডলার। আপনি ২ ডলার দিয়ে, ২০ সেন্ট করে ১০ টি রেন্ট রেফার ভাড়া নিবেন ৩০ দিনের জন্য।।
আপনি তাদের আয় এর চার ভাগের এক ভাগ পাবেন। মনে করি আপনার রেন্ট রেফার ২০ সেন্ট আয় করল আপনি পাবেন ৫ সেন্ট। এখন আপনার ১০ টি রেফার আছে, আপনি পাবেন ৫*১০=৫০ সেন্ট। আবার আপনার যখন ১ ডলার হবে, তখন আরও ৫ টি রেফার ভাড়া নিলেন। আপনার মোট ১৫ টি রেফার হল যা থেকে আপনার প্রতিদিন ৭৫ সেন্ট আসবে। আবার যখন আপনার ১ ডলার হল তখন আরও ৫ রেফার ভাড়া নিলেন। আপনার রেফার হল ২০ জন। আপনার প্রতিদিন আয় ১ ডলার। এভাবে আপনি ৩০০ রেন্ট রেফার করতে বেশি সময লাগবেনা। মনে করি আপনার ৩০০ রেন্ট রেফার আছে, এখন আপনার প্রতিদিন আয় ৩০০*.০৫= ১৫ ডলার।
এখন আপনার কাজ হল ৪-৫ দিন সময় নিয়ে ৬০ ডলার করা। ৬০ ডলার হলে আপনার মেম্বার আপডেট করেনিবেন। যার ফলে আপনার আয় চারগুন বেড়ে যাবে। আপনার যদি ৩০০ রেফার থাকে তাহলে আপনি প্রতিদিন ১৫*৪=৬০ ডলার।
কিভাবে রেফার কিনবেন?
আপনার ১০ দিন আয় করার পর ২.২০ ডলার ধেকে ২ ডলার রেফার ADD FOUND কিক্ল করলে Purchase Balance চলে যা দিয়ে আপনি রেফার ভাড়া নিতে পারবেন।

আপনার কাজ শেষ।
বি:দ্র: আপনাকে প্রতিদিন সবগুলো Ads দেখতে হবে। একটি বেশি অ্যাকাউন্ড করা যাবেনা। একাদিক মোবাইল অথবা কমপিউটার দিয়ে Login করা যাবেনা।

কিভাবে টাকা উত্তোলন করবেন?
Payza: PayPal: Bitcoin:
http://www.payza.com গিয়ে অ্যাকাউন্ড করতে পারবেন।
Payment Proof
Read More

আপনার অ্যান্ডয়েড মোবাইল অথবা কমপিউটার দিয়ে প্রতি মাসে ৫০০০০ হাজার টাকা আয় করুন। আয় করার গোপনীয় ফরমূলা

আপনার অ্যান্ডয়েড মোবাইল অথবা কমপিউটার দিয়ে প্রতি মাসে ৫০০০০ হাজার টাকা আয় করুন। আয় করার গোপনীয় ফরমূলা
আসসালামু আলাইকুম, আশাকরি ভাল আছেন, আমি আপনাদের দোয়ার এবং আল্লাহ রহমতে ভাল আছি। আজ আমি অনলাইনের আয় এ বিষয়ে আলোচনা করব।
আমরা সবাই আয় করতে চায় কিন্তু কাজ না জানার কারণে পারিনা। ইন্টারেনে যত ধরনের কাজ আছে মধ্য সবচেয়ে সহজ কাজ হল অ্যাড কিক্ল করে আয় করা, যাকে আমরা বলে থাকি PTC = Pay Text Click। আপনি একটি ওয়েব সাইটে Register করে সেখানে প্রতিদিন কিছু কাজ করবেন, যার ফলে প্রতি কিক্ল এর কিছু টাকা পাবেন। যার ফলে প্রতিদিন আয় এর পরিমাণ সবোচ্ছ 0.06 সেন্ট = ৪ টাকা। এখন দেখা যাবে আপনি সবচেয়ে কম টাকা আয় কারতে পারবেন। ঐসকল সাইট যার মধ্য ৯৫ টি ওয়েবসাইট ভুয়া থাকে। যেমন. Neobux, cliesense, paidverts আমি এসকল সাইট খেকে তেমন আয় করতে পারিনি। এসব সাইট থেকে আপনি বেশি আয় করতে পারবেন না।
আজ এমন একটি সাইট এর সাথে পরিচয় করিয়ে দিব, যার ধারা আপনি মোবাইল অথবা কমপিউটার দিয়ে মাসে ৫০০০০ টাকা আয় করতে পাবেন। আর বকবক না করে শুরু কাজ শুরু করা হক।
বি:দ্র: আমি যেভাবে বলব সে ভাবে কাজ করলেই হবে, তাহলে আপনি সফল হবেনই।
আপনি যদি মোবাইল দিয়ে কাজ করত চান তাহলে নিচের থেকে Internet Browser ডাউনলোড করে নিতে হবে।
Download Browser  করে install করে নিবেন।
প্রথমে Register Here কিক্ল করুন। তারপর নিচের মত কিক্ল করে  করুন। Register Here

এবার নিচের মত একটি ফরম আসবে, সুন্দরভাবে তথ্য দিয়ে ফিলাপ করুন।


উপরের মত সঠিক তথ্য দিয়ে Register কিক্ল করে আপনার অ্যাকাউন্ড তৈরি করুন।
এবার Login কিক্ল করুন। তারপর নিচের মত করে আপনার Username এবং password দিয়ে Login করুন।

এবার আপনার অ্যাকাউন্ড প্রবেশ করতে পারবেন। নিচের মত Views Ads কিক্ল করুন।

এবার নিচে কিছু Ads পাবেন যা দেখলে আপনি আয় করতে পারবেন, নিচে দেখুন কিভাবে

যে কোন একটি লেখার উপরে কিক্ল করলে, আপনাকে নতুন পেজে নিয়ে যাবে,
নিচের মত আপনাকে কয়েক সেকেন্ড অপেক্ষা করতে হবে আপনাকে।

এবার নিচের মত উলঠানো মাথা তে কিক্ল করবেন।

এবার আপনার কাজ শেষ হরে নিচের মত একটি ঠিক চিন্হ আসবে।

কিভাবে মাসে ৫০০০০ হাজার টাকা আয় করবেন?
আপনি প্রতিদিন রাত ৭ টার সময় Account প্রবেশ করে ২২ সেন্ট করে আয় করলেন। এভাবে আপনাকে ১০ দিন কাজ করতে হবে। ১০ দিন পর আপনার আয় হবে 2.22$ ডলার। আপনি ২ ডলার দিয়ে, ২০ সেন্ট করে ১০ টি রেন্ট রেফার ভাড়া নিবেন ৩০ দিনের জন্য।।
আপনি তাদের আয় এর চার ভাগের এক ভাগ পাবেন। মনে করি আপনার রেন্ট রেফার ২০ সেন্ট আয় করল আপনি পাবেন ৫ সেন্ট। এখন আপনার ১০ টি রেফার আছে, আপনি পাবেন ৫*১০=৫০ সেন্ট। আবার আপনার যখন ১ ডলার হবে, তখন আরও ৫ টি রেফার ভাড়া নিলেন। আপনার মোট ১৫ টি রেফার হল যা থেকে আপনার প্রতিদিন ৭৫ সেন্ট আসবে। আবার যখন আপনার ১ ডলার হল তখন আরও ৫ রেফার ভাড়া নিলেন। আপনার রেফার হল ২০ জন। আপনার প্রতিদিন আয় ১ ডলার। এভাবে আপনি ৩০০ রেন্ট রেফার করতে বেশি সময লাগবেনা। মনে করি আপনার ৩০০ রেন্ট রেফার আছে, এখন আপনার প্রতিদিন আয় ৩০০*.০৫= ১৫ ডলার।
এখন আপনার কাজ হল ৪-৫ দিন সময় নিয়ে ৬০ ডলার করা। ৬০ ডলার হলে আপনার মেম্বার আপডেট করেনিবেন। যার ফলে আপনার আয় চারগুন বেড়ে যাবে। আপনার যদি ৩০০ রেফার থাকে তাহলে আপনি প্রতিদিন ১৫*৪=৬০ ডলার।
কিভাবে রেফার কিনবেন?
আপনার ১০ দিন আয় করার পর ২.২০ ডলার ধেকে ২ ডলার রেফার ADD FOUND কিক্ল করলে Purchase Balance চলে যা দিয়ে আপনি রেফার ভাড়া নিতে পারবেন।

আপনার কাজ শেষ।
বি:দ্র: আপনাকে প্রতিদিন সবগুলো Ads দেখতে হবে। একটি বেশি অ্যাকাউন্ড করা যাবেনা। একাদিক মোবাইল অথবা কমপিউটার দিয়ে Login করা যাবেনা।

কিভাবে টাকা উত্তোলন করবেন?
Payza: PayPal: Bitcoin:
http://www.payza.com গিয়ে অ্যাকাউন্ড করতে পারবেন।
Payment Proof
Read More

Merdekarama Trading Strategy

Merdekarama Trading Strategy
বাই এন্ট্রিঃ যখন ৪ টি ইনডিকেটরের বার নীল হয়ে যাবে তখন বাই এন্ট্রি নিতে হবে।

বাই এক্সিটঃ যখন TraderWawasan MACD 2(5,8,9) ইনডিকেটরের বার লাল হয়ে যাবে তখন বাই ট্রেড বন্ধ করতে হবে।

ছবি পোস্ট করা হয়েছে

সেল এন্ট্রিঃ যখন ৪ টি ইনডিকেটরের বার লাল হয়ে যাবে তখন সেল এন্ট্রি নিতে হবে।

সেল এক্সিটঃ যখন TraderWawasan MACD 2(5,8,9) ইনডিকেটরের বার নীল হয়ে যাবে তখন সেল ট্রেড বন্ধ করে দিতে হবে।

ছবি পোস্ট করা হয়েছে



বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ এই strategy কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে। TraderWawasan HA বাদ দিয়ে এর জায়গায় Heiken Ashi Smoothed_v2 যোগ করা হয়েছে।এছাড়া ৫০ ইমএ এবং ২০০ ইমএ যোগ করা হয়েছে।
এক্সিট কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে,আগে এক্সিট হিসেবে TraderWawasan MACD 2 ব্যবহার করতে বলা হয়েছিল কিন্তু এইটা পরিবর্তন করে TraderWawasan HADM কালার পরিবর্তন হলেই ট্রেড বন্ধ করতে হবে। বাকি সিস্টেম আগের মতই।



সংযুক্ত ফাইল Merdekarama Trading Strategy.zip   36.22KB  767 ডাউনলোড সংখ্যা

Read More

Merdekarama Trading Strategy

Merdekarama Trading Strategy
বাই এন্ট্রিঃ যখন ৪ টি ইনডিকেটরের বার নীল হয়ে যাবে তখন বাই এন্ট্রি নিতে হবে।

বাই এক্সিটঃ যখন TraderWawasan MACD 2(5,8,9) ইনডিকেটরের বার লাল হয়ে যাবে তখন বাই ট্রেড বন্ধ করতে হবে।

ছবি পোস্ট করা হয়েছে

সেল এন্ট্রিঃ যখন ৪ টি ইনডিকেটরের বার লাল হয়ে যাবে তখন সেল এন্ট্রি নিতে হবে।

সেল এক্সিটঃ যখন TraderWawasan MACD 2(5,8,9) ইনডিকেটরের বার নীল হয়ে যাবে তখন সেল ট্রেড বন্ধ করে দিতে হবে।

ছবি পোস্ট করা হয়েছে



বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ এই strategy কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে। TraderWawasan HA বাদ দিয়ে এর জায়গায় Heiken Ashi Smoothed_v2 যোগ করা হয়েছে।এছাড়া ৫০ ইমএ এবং ২০০ ইমএ যোগ করা হয়েছে।
এক্সিট কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে,আগে এক্সিট হিসেবে TraderWawasan MACD 2 ব্যবহার করতে বলা হয়েছিল কিন্তু এইটা পরিবর্তন করে TraderWawasan HADM কালার পরিবর্তন হলেই ট্রেড বন্ধ করতে হবে। বাকি সিস্টেম আগের মতই।



সংযুক্ত ফাইল  Merdekarama Trading Strategy.zip   36.22KB   767 ডাউনলোড সংখ্যা

Read More

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর গুরুত্বপূর্ণ ধাপ সমূহ

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর গুরুত্বপূর্ণ ধাপ সমূহ
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন অনেকগুলো ধাপের সমষ্টি । অর্থাৎ, একটি ওয়েব পেইজকে সার্চ ইঞ্জিন এর প্রথম পেইজ এ আনতে হলে আপনাকে অনেক ধাপ পার হতে হবে । কেননা, এসইও একটি চলমান প্রক্রিয়া । আজ আমি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে আলোচনা করবো ।

ডোমেইন নেম

একটি সাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পেইজ এ আনতে ডোমেইন নেম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে । একটি ভাল ডোমেইন নেম খুব সহজেই আপনার সাইটকে প্রথম পেইজ এ নিয়ে আসতে পারে । তাই, সাইটের কিওয়ার্ড এর সাথে মিল রেখে ডোমেইন নেম নির্বাচন করুন এবং সেটি যেন সার্চ ইঞ্জিন এবং ভিজিটর উভয়ের কাছেই সহজ মনে হয় ।  ভাল ডোমেইন নেম খুঁজে পেতে এই লিংক এ দেখতে পারেন । এছাড়া, ডোমেইন নেম নির্বাচনের ক্ষেত্রে গুগল এডওয়ার্ড টুলের সহায়তা নিতে পারেন ।

কিওয়ার্ড

কিওয়ার্ড হচ্ছে কতগুলো বর্ণ বা শব্দসমষ্টি । যেমন; আমাদের যদি বাংলা ই-বুক ডাউনলোড করার প্রয়োজন হয় তখন আমরা গুগলে ‘বাংলা ই-বুক’, ‘বাংলা ই-বুক ডাউনলোড’ এরকম কিছু শব্দ লিখে লিখে সার্চ দিব । এখানে আমাদের সার্চকৃত ‘বাংলা ই-বুক’, ‘বাংলা ই-বুক ডাউনলোড’ শব্দগুলো-ই হচ্ছে কিওয়ার্ড । কিওয়ার্ড এর ভিত্তিতে-ই সার্চ ইঞ্জিন একটি সাইটকে র্যাঙ্কিং করে । কোন সাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পেইজ এ আনতে আপনাকে প্রথমে কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে হবে । মূলত, নির্দিষ্ট কিওয়ার্ডের ভিত্তিতে-ই ওয়েবপেইজকে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পেইজ এ আনা হয় ।

ব্যাকলিংক

ব্যাকলিংক তৈরি করা অফপেইজ এসইও এর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ । কোন ওয়েবপেইজ কে সার্চ ইঞ্জিনের এর প্রথম পেইজ এ আনতে ব্যাকলিংক সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে । এমনকি, একটি ওয়েবসাইটের পেইজর‌্যাঙ্ক বাড়াতে ব্যাকলিংক এর ভূমিকা সর্বাধিক । তাই, যথাসম্ভব কোয়ালিটি ব্যাকলিংককে গুরুত্ব দিন ।

পেইজ লোডিং টাইম

সার্চ ইঞ্জিন একটি ওয়েবসাইটের পেইজ লোড হওয়ার সময়কে যথেষ্ট গুরুত্ব দেয় । এক্ষেত্রে, সাইট ডিজাইন করার সময় সাইটটি হালকা রাখুন । যেন দ্রুত পেইজ লোড হয় । ওয়েবপেইজ এ অতিরিক্ত জাভাস্ক্রিপ্ট ব্যবহার করবেন না । এতে, পেইজ লোডিং টাইম বেড়ে যায় । অপরদিকে, সার্চ ইঞ্জিন জাভাস্ক্রিপ্ট এ থাকা হাইপারলিঙ্ক এক্সেস করতে পারে না ।

হোস্টিং

অনেকে এ বিষয়টি তেমন গুরুত্ব দেয়না । অথচ, ওয়েবসাইটের সিকিউরিটি সার্চ ইঞ্জিনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ । এক্ষেত্রে, সর্বদা ভাল মানের ওয়েব হোস্টিং ব্যবহার করুন । এতে একদিকে আপনার ওয়েবসাইট নিরাপদে থাকবে অপরদিকে আপনার সাইটে সার্চ ইঞ্জিনের র্যাঙ্কিং এর জন্য ভাল হবে ।

ভিজিটর

একটি সাইটের ভিজিটর এর ভিত্তিতে সার্চ ইঞ্জিন সাইটের র্যাঙ্কিং দিয়ে থাকে । ভিজিটর সাইটে কেমন সময় ব্যয় করছে তাও সার্চ ইঞ্জিন খোঁজ রাখে । এক্ষেত্রে, সাইটে ভাল মানের কনটেন্ট রাখুন যেন ভিজিটর আপনার সাইটে দীর্ঘ সময় কাটায় ।
আজকের মত আমার পোস্ট এখানেই শেষ করছি । ভাল লাগলে কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন । ভুল হলে ধরিয়ে দিবেন আমি ঠিক করে দিব । সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমার পোস্টটি পড়ার জন্য ।
Read More

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর গুরুত্বপূর্ণ ধাপ সমূহ

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর গুরুত্বপূর্ণ ধাপ সমূহ
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন অনেকগুলো ধাপের সমষ্টি । অর্থাৎ, একটি ওয়েব পেইজকে সার্চ ইঞ্জিন এর প্রথম পেইজ এ আনতে হলে আপনাকে অনেক ধাপ পার হতে হবে । কেননা, এসইও একটি চলমান প্রক্রিয়া । আজ আমি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে আলোচনা করবো ।

ডোমেইন নেম

একটি সাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পেইজ এ আনতে ডোমেইন নেম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে । একটি ভাল ডোমেইন নেম খুব সহজেই আপনার সাইটকে প্রথম পেইজ এ নিয়ে আসতে পারে । তাই, সাইটের কিওয়ার্ড এর সাথে মিল রেখে ডোমেইন নেম নির্বাচন করুন এবং সেটি যেন সার্চ ইঞ্জিন এবং ভিজিটর উভয়ের কাছেই সহজ মনে হয় ।  ভাল ডোমেইন নেম খুঁজে পেতে এই লিংক এ দেখতে পারেন । এছাড়া, ডোমেইন নেম নির্বাচনের ক্ষেত্রে গুগল এডওয়ার্ড টুলের সহায়তা নিতে পারেন ।

কিওয়ার্ড

কিওয়ার্ড হচ্ছে কতগুলো বর্ণ বা শব্দসমষ্টি । যেমন; আমাদের যদি বাংলা ই-বুক ডাউনলোড করার প্রয়োজন হয় তখন আমরা গুগলে ‘বাংলা ই-বুক’, ‘বাংলা ই-বুক ডাউনলোড’ এরকম কিছু শব্দ লিখে লিখে সার্চ দিব । এখানে আমাদের সার্চকৃত ‘বাংলা ই-বুক’, ‘বাংলা ই-বুক ডাউনলোড’ শব্দগুলো-ই হচ্ছে কিওয়ার্ড । কিওয়ার্ড এর ভিত্তিতে-ই সার্চ ইঞ্জিন একটি সাইটকে র্যাঙ্কিং করে । কোন সাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পেইজ এ আনতে আপনাকে প্রথমে কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে হবে । মূলত, নির্দিষ্ট কিওয়ার্ডের ভিত্তিতে-ই ওয়েবপেইজকে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পেইজ এ আনা হয় ।

ব্যাকলিংক

ব্যাকলিংক তৈরি করা অফপেইজ এসইও এর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ । কোন ওয়েবপেইজ কে সার্চ ইঞ্জিনের এর প্রথম পেইজ এ আনতে ব্যাকলিংক সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে । এমনকি, একটি ওয়েবসাইটের পেইজর‌্যাঙ্ক বাড়াতে ব্যাকলিংক এর ভূমিকা সর্বাধিক । তাই, যথাসম্ভব কোয়ালিটি ব্যাকলিংককে গুরুত্ব দিন ।

পেইজ লোডিং টাইম

সার্চ ইঞ্জিন একটি ওয়েবসাইটের পেইজ লোড হওয়ার সময়কে যথেষ্ট গুরুত্ব দেয় । এক্ষেত্রে, সাইট ডিজাইন করার সময় সাইটটি হালকা রাখুন । যেন দ্রুত পেইজ লোড হয় । ওয়েবপেইজ এ অতিরিক্ত জাভাস্ক্রিপ্ট ব্যবহার করবেন না । এতে, পেইজ লোডিং টাইম বেড়ে যায় । অপরদিকে, সার্চ ইঞ্জিন জাভাস্ক্রিপ্ট এ থাকা হাইপারলিঙ্ক এক্সেস করতে পারে না ।

হোস্টিং

অনেকে এ বিষয়টি তেমন গুরুত্ব দেয়না । অথচ, ওয়েবসাইটের সিকিউরিটি সার্চ ইঞ্জিনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ । এক্ষেত্রে, সর্বদা ভাল মানের ওয়েব হোস্টিং ব্যবহার করুন । এতে একদিকে আপনার ওয়েবসাইট নিরাপদে থাকবে অপরদিকে আপনার সাইটে সার্চ ইঞ্জিনের র্যাঙ্কিং এর জন্য ভাল হবে ।

ভিজিটর

একটি সাইটের ভিজিটর এর ভিত্তিতে সার্চ ইঞ্জিন সাইটের র্যাঙ্কিং দিয়ে থাকে । ভিজিটর সাইটে কেমন সময় ব্যয় করছে তাও সার্চ ইঞ্জিন খোঁজ রাখে । এক্ষেত্রে, সাইটে ভাল মানের কনটেন্ট রাখুন যেন ভিজিটর আপনার সাইটে দীর্ঘ সময় কাটায় ।
আজকের মত আমার পোস্ট এখানেই শেষ করছি । ভাল লাগলে কমেন্টের মাধ্যমে জানাবেন । ভুল হলে ধরিয়ে দিবেন আমি ঠিক করে দিব । সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ আমার পোস্টটি পড়ার জন্য ।
Read More

গেস্ট ব্লগিং সম্পর্কে কয়েকটি ভুল ধারণা

গেস্ট ব্লগিং সম্পর্কে কয়েকটি ভুল ধারণা
ভুল ধারণা-১: কোয়ালিটির চাইতে কত বেশি গেস্ট ব্লগিং সাইটে কতটি পোস্ট করা গেছে। অনেকেই এসইও নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে গেস্ট ব্লগিংকে শুধুমাত্র ব্যাকলিংক তৈরির জন্য ব্যবহার করেন।তারা মনে করে যত বেশি ব্লগে, যতবেশি গেস্ট পোস্ট করা যাবে, ততই তাদের ওয়েবসাইটের জন্য ভাল হবে।
যেহেতু অনেক বেশি পোস্ট দেওয়ার প্রতি তাদের মনোযোগ, সেজন্য কোয়ালিটি সম্পন্ন পোস্ট তখন সম্ভব হয়না। একদিনে যদি ৫-১০ টি নতুন পোস্ট করার প্রতি মনোযোগই হয় কেউ তাহলেতো ভাল পোস্ট আশা করা ১০০% অসম্ভব।
ব্লগিং সম্পর্কে কয়েকটি ভুল ধারণা
সঠিকঃ প্রচুর সংখ্যক পোস্টের চাইতে ভালমানের পোস্ট দেওয়ার প্রতি মনোযোগ দিতে হবে। ১ দিনে ৫ টি পোস্ট লেখার চাইতে ৭ দিনে একটি ভাল পোস্ট এসইওর কাজে অনেক ভাল ফলাফল দেখায়।
ভুল ধারণা-২: এসইওর কাজে গেস্ট ব্লগিংয়ে এত সময় ব্যয় করা বোকামী এসইও কাজ করেন এরকম অনেকেই বলেন, বড় বড় আর্টিকেল এবং কোয়ালিটি আর্টিকেল রাইটিং করার মাধ্যমে ব্যাকলিংক তৈরি করার চাইতে অন্য অনেক পদ্ধতিতে আরো কম সময়ে ব্যকলিংক তৈরি করার উপায় রয়েছে। সেটি অনুসরণ করলেইতো হবে।
সঠিকঃ অন্য পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করে হয়ত সাময়িক ফলাফল আসা করা যাবে। কিন্তু যদি লং টাইম বেনিফিটেড হতে চান, তাহলে গেস্ট ব্লগিংয়ের বিকল্প কখনও নাই। সেজন্য সবাইকেই এ দিকে অবশ্যই নজর দিতে হবে
Read More

গেস্ট ব্লগিং সম্পর্কে কয়েকটি ভুল ধারণা

গেস্ট ব্লগিং সম্পর্কে কয়েকটি ভুল ধারণা
ভুল ধারণা-১: কোয়ালিটির চাইতে কত বেশি গেস্ট ব্লগিং সাইটে কতটি পোস্ট করা গেছে। অনেকেই এসইও নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে গেস্ট ব্লগিংকে শুধুমাত্র ব্যাকলিংক তৈরির জন্য ব্যবহার করেন।তারা মনে করে যত বেশি ব্লগে, যতবেশি গেস্ট পোস্ট করা যাবে, ততই তাদের ওয়েবসাইটের জন্য ভাল হবে।
যেহেতু অনেক বেশি পোস্ট দেওয়ার প্রতি তাদের মনোযোগ, সেজন্য কোয়ালিটি সম্পন্ন পোস্ট তখন সম্ভব হয়না। একদিনে যদি ৫-১০ টি নতুন পোস্ট করার প্রতি মনোযোগই হয় কেউ তাহলেতো ভাল পোস্ট আশা করা ১০০% অসম্ভব।
ব্লগিং সম্পর্কে কয়েকটি ভুল ধারণা
সঠিকঃ প্রচুর সংখ্যক পোস্টের চাইতে ভালমানের পোস্ট দেওয়ার প্রতি মনোযোগ দিতে হবে। ১ দিনে ৫ টি পোস্ট লেখার চাইতে ৭ দিনে একটি ভাল পোস্ট এসইওর কাজে অনেক ভাল ফলাফল দেখায়।
ভুল ধারণা-২: এসইওর কাজে গেস্ট ব্লগিংয়ে এত সময় ব্যয় করা বোকামী এসইও কাজ করেন এরকম অনেকেই বলেন, বড় বড় আর্টিকেল এবং কোয়ালিটি আর্টিকেল রাইটিং করার মাধ্যমে ব্যাকলিংক তৈরি করার চাইতে অন্য অনেক পদ্ধতিতে আরো কম সময়ে ব্যকলিংক তৈরি করার উপায় রয়েছে। সেটি অনুসরণ করলেইতো হবে।
সঠিকঃ অন্য পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করে হয়ত সাময়িক ফলাফল আসা করা যাবে। কিন্তু যদি লং টাইম বেনিফিটেড হতে চান, তাহলে গেস্ট ব্লগিংয়ের বিকল্প কখনও নাই। সেজন্য সবাইকেই এ দিকে অবশ্যই নজর দিতে হবে
Read More

ওয়েব সাইটের ভিজিটর বাড়ানোর কিছু প্রয়োজনীয় কৌশল

ওয়েব সাইটের ভিজিটর বাড়ানোর কিছু প্রয়োজনীয় কৌশল
বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন। আজকে আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করর কিভাবে আপনি আপনার সাইটের জন্য হাজার হাজার ভিজিটর খুব সহজেই সংগ্রহ করতে পারেন। আমরা সবাই জানি ভিজিটর সংগ্রহ করার বিষয়টি এসইও এর সাথে সম্পৃক্ত। আমাদের মাঝে অনেকেই আছেন যারা ভাল ব্লগিং করতে পারে কিন্তু সাইটের এসইও করতে পারে না অথবা টাকার অভাবে সাইটের এসইও করাতে পারে না। যাই হোক আমার আজকের এই পোষ্টটি মূলত তাদের জন্যই যারা সাইটের এসইও করতে পারে না।
আমাদের সবারই ফেইসবুকে একাউন্ট আছে। বাংলাদেশের প্রায় কয়েক কোটি মানুষ ফেইসবুক ব্যবহার করে। আমার আজকের এই টিপসটি হতে আপনি এই কয়েক কোটি মানুষের ভিড়ে অন্তত কয়েক হাজার ভিজিটর আপনার ব্লগ সাইটের জন্য সংগ্রহ করতে পারবেন। আমরা ফেইসবুকে কয়েকটি বিষয় লক্ষ করেছি যে কিছু কিছু গ্রুপ, ফেন্ডস, ফ্যান পেইজ আছে যেই সব জায়গায় প্রচুর মেম্বার আছে। আমরা এও লক্ষ করেছিযে যখন আমাদের ফ্রেন্ডলিস্টে থাকা বন্ধুকে কেউ কিছু ট্যাগ করে থাকে তখন তা আমাদের নিউজ ফীডে বা হোম পেইজে শো করে। আশা করি আমি কি বলতে চাচ্ছি তা আপনারা বুঝতে পেরেছেন।
এখন আসি মূল কথায়। ধরুন আপনার একটি বাংলা টেকনোলজি রিলেটেড সাইট রয়েছে। তাহলে আপনাকে আপনার সাইটের ভিজিটর বাড়ানোর জন্য যা যা করতে হবে।:
১) আপনার সাইটের টপিক রিলেটেড একটিভ গ্রুপ গুলোতে জয়েন করতে হবে। এই সব গ্রুপের একটি লিস্ট তৈরি করুন।
২) আপনার ফ্রেন্ডলিস্টে যাদের প্রচুর বন্ধু আছে তাদের একটি লিস্ট তৈরি করুন।
৩) টপিক রিলেটেড ফ্যান পেইজ গুলোতে লাইক দিন। মনে রাখবেন পেইজে যেন প্রচুর লাইক ও পেইজটি যেন একটিভ থাকে। এই সব পেইজগুলোর একটি লিস্ট তৈরি করুন।
এখন প্রথমে আপনার সাইটে পোষ্ট করুন। পোষ্টের সাথে একটি সুন্দর দেখে থাম্বেইল যুক্ত করুন ও সাথে একটি আকর্ষনীয় টাইটেল (বাঙ্গালী মধু একটু বেশিই পছন্দ করে।)। যাতে করে একজন ভিজিটর আপনার পোষ্ট থম্বেইল ও টাইটেল দেখে মুটামুটি ধারনা নিতে পারে।
এখন আপনার সাইটে পোষ্ট পাবলিশ করুন। এখন ফেইসবুকে পোষ্ট রিলেটেড একটি ফটো আপলোড করুন ও সাথে একটি শর্ট ডেস্ক্রীপশন ও পোষ্টের লিংক দিয়ে দিন।
Read More

ওয়েব সাইটের ভিজিটর বাড়ানোর কিছু প্রয়োজনীয় কৌশল

ওয়েব সাইটের ভিজিটর বাড়ানোর কিছু প্রয়োজনীয় কৌশল
বন্ধুরা সবাই কেমন আছেন। আজকে আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করর কিভাবে আপনি আপনার সাইটের জন্য হাজার হাজার ভিজিটর খুব সহজেই সংগ্রহ করতে পারেন। আমরা সবাই জানি ভিজিটর সংগ্রহ করার বিষয়টি এসইও এর সাথে সম্পৃক্ত। আমাদের মাঝে অনেকেই আছেন যারা ভাল ব্লগিং করতে পারে কিন্তু সাইটের এসইও করতে পারে না অথবা টাকার অভাবে সাইটের এসইও করাতে পারে না। যাই হোক আমার আজকের এই পোষ্টটি মূলত তাদের জন্যই যারা সাইটের এসইও করতে পারে না।
আমাদের সবারই ফেইসবুকে একাউন্ট আছে। বাংলাদেশের প্রায় কয়েক কোটি মানুষ ফেইসবুক ব্যবহার করে। আমার আজকের এই টিপসটি হতে আপনি এই কয়েক কোটি মানুষের ভিড়ে অন্তত কয়েক হাজার ভিজিটর আপনার ব্লগ সাইটের জন্য সংগ্রহ করতে পারবেন। আমরা ফেইসবুকে কয়েকটি বিষয় লক্ষ করেছি যে কিছু কিছু গ্রুপ, ফেন্ডস, ফ্যান পেইজ আছে যেই সব জায়গায় প্রচুর মেম্বার আছে। আমরা এও লক্ষ করেছিযে যখন আমাদের ফ্রেন্ডলিস্টে থাকা বন্ধুকে কেউ কিছু ট্যাগ করে থাকে তখন তা আমাদের নিউজ ফীডে বা হোম পেইজে শো করে। আশা করি আমি কি বলতে চাচ্ছি তা আপনারা বুঝতে পেরেছেন।
এখন আসি মূল কথায়। ধরুন আপনার একটি বাংলা টেকনোলজি রিলেটেড সাইট রয়েছে। তাহলে আপনাকে আপনার সাইটের ভিজিটর বাড়ানোর জন্য যা যা করতে হবে।:
১) আপনার সাইটের টপিক রিলেটেড একটিভ গ্রুপ গুলোতে জয়েন করতে হবে। এই সব গ্রুপের একটি লিস্ট তৈরি করুন।
২) আপনার ফ্রেন্ডলিস্টে যাদের প্রচুর বন্ধু আছে তাদের একটি লিস্ট তৈরি করুন।
৩) টপিক রিলেটেড ফ্যান পেইজ গুলোতে লাইক দিন। মনে রাখবেন পেইজে যেন প্রচুর লাইক ও পেইজটি যেন একটিভ থাকে। এই সব পেইজগুলোর একটি লিস্ট তৈরি করুন।
এখন প্রথমে আপনার সাইটে পোষ্ট করুন। পোষ্টের সাথে একটি সুন্দর দেখে থাম্বেইল যুক্ত করুন ও সাথে একটি আকর্ষনীয় টাইটেল (বাঙ্গালী মধু একটু বেশিই পছন্দ করে।)। যাতে করে একজন ভিজিটর আপনার পোষ্ট থম্বেইল ও টাইটেল দেখে মুটামুটি ধারনা নিতে পারে।
এখন আপনার সাইটে পোষ্ট পাবলিশ করুন। এখন ফেইসবুকে পোষ্ট রিলেটেড একটি ফটো আপলোড করুন ও সাথে একটি শর্ট ডেস্ক্রীপশন ও পোষ্টের লিংক দিয়ে দিন।
Read More

ব্যবসার প্রচারণায় সোশাল মিডিয়ায় বা অনলাইন মার্কেটিং করতে যে ১৬টি ভুল অবশ্যই করবেন না

ব্যবসার প্রচারণায় সোশাল মিডিয়ায় বা অনলাইন মার্কেটিং করতে যে ১৬টি ভুল অবশ্যই করবেন না
সোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে ছোটখাটো ব্যবসা করতে গিয়ে অনেকেই নানা ভুল করে বসেন। ওয়াশিংটনের ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠার কনসালটেন্ট মারভিন পাওয়েল এসব ভুল সম্পর্কে জানতে চেয়ে প্রশ্ন রেখেছিলেন তার লিঙ্কএডিন পেজে। এর জবাব এসেছে বহু মানুষের কাছ থেকে। এখানে জেনে নিন ব্যবসার প্রচারে সোশাল মিডিয়া ব্যবহার করতে গিয়ে যে ১৬টি সাধারণ ভুল করা হয়।
মার্কেটিং
১. ম্যারাথন না ভেবে স্প্রিন্ট ভাবা : অনেকেই প্রথমে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় ব্যবসার প্রচারণা শুরু করেন। কিন্তু কিছু দিন যেতেই আর নিয়মিত থাকেন না। তাই এখানে ম্যারাথন দৌড়ের মতো এক গতিতে এগিয়ে যেতে হবে।
২. কোনো স্ট্র্যাটেজি না থাকা : এটা সবচেয়ে বড় সমস্যা হতে পারে। কোনো লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছাড়া সোশাল মিডিয়ায় প্রচারণা চালানোর কোনো অর্থ নেই। সঠিক সময়ে সঠিক বিষয় নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় না আসতে পারলে তাকে গুরুত্বের সহকারে দেখা হয় না।
৩. না শুনে বেশি কথা বলা : সোশাল মিডিয়া যোগাযোগের স্থান। এর মাধ্যমে প্রচার করুন আর যোগাযোগ স্থাপন করুন। এ ক্ষেত্রে খোশগল্প করার কিছু নেই। অন্য মানুষ যা বলতে চায় তা আপনাকে শুনতে হবে।
৪. বাজে তর্কে যাবেন না : তর্কের মাধ্যমে সোশাল মিডিয়ায় বাজে আবহ সৃষ্টি করা উচিত নয়। প্রায়ই পেশাদাররা সেখানে অনর্থক তর্ক করেন যা তাদের সুনাম ক্ষুন্ন করে বলে মনে করেন ইকমার্স কনসালটেন্ট পামেলা হ্যাজেলটন।
৫. প্রমোশনের জন্য অতি সময় ব্যয় করা : ছোট ব্যবসায়ীরা নিজের প্রমোশন করতেই সোশাল মিডিয়ায় অতিরিক্ত সময় ব্যয় করেন। অথচ একই সময় তাদের নিজেদের পণ্যের দিকেও লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন।
৬. অবাস্তব আশা করা : অনেকে আবার একমাত্র সোশাল মিডিয়াকেই সফলতার একমাত্র মাধ্যম বলে মনে করেন এবং তা নিয়েই পড়ে থাকেন। তাদের আসলে অন্য উপায়েও চেষ্টা করে দেখা উচিত।
৭. বিষয়টিকে সংশ্লিষ্ট না করা : যে বিষয়েই প্রচারণা চালান তা যদি মানুষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট না হয় তবে সেখানে চোখ পড়বে না। ফলে যতোই নিয়মিত থাকুন আপনি, কেউ পড়বে না আপনার প্রচারণা।
৮. ক্রেতার জবাব না দেওয়া : ক্রেতার মন্তব্য না পাত্তা দেওয়া, নিয়মিত তাদের জবাব না দেওয়া, শুধুমাত্র প্রোমোশনাল উদ্দেশ্যে সামাজিক প্রোফাইল ব্যবহার করা এবং রুচিহীন ব্র্যান্ডিং ও ডিজাইনের দ্বারা ক্রমশ ক্রেতাশূন্য হয়ে পড়বে ব্যবসা।
৯. ব্যক্তিগত ও পেশাদারিত্বের পার্থক্য ভুলে যাওয়া : সোশাল মিডিয়াকে ব্যক্তিগত ও পেশাদার ক্ষেত্রে আলাদা করে নিন। যেমন- ফেসবুকের একটি প্রোফাইল একইসঙ্গে ব্যক্তিগত ও ব্যবসার কাজে ব্যবহার করবেন না। তবে লিঙ্কএডিন পেশা ক্ষেত্রে বেশ কাজের বলে মনে করেন টেকনলজি এক্সিকিউটিভ জর্জ এফ ফ্রাঙ্কস।
১০. অনুমান করা : ব্যবসা নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় কোনো অনুমান করা উচিত নয়। কারণ এতে ভুল থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই যদি একান্ত প্রয়োজন না হয় তবে মার্কেটিংয়ের তথ্য-উপাত্ত নিয়ে এতো বিশ্লেষণ করার প্রয়োজন নেই। কারণ সোশাল মিডিয়া আসলে পণ্যের বিজ্ঞাপণের জন্য নয়। তাই এখান থেকে গাণিতিক উপাত্ত বের করতে পারবেন তেমন তথ্য-উপাত্ত পাবেন না।
১১. প্রথমে ব্যবসা এবং পরে ব্যক্তিগত প্রোফাইল : অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, প্রথমে সবাই ব্যবসার প্রোফাইল খুলে কিছু দিন পরই সেখানেই ব্যক্তিগ প্রোফাইল জুড়ে দেওয়া হয়। ফলে ক্রেতা নিয়মিতভাবে পেশাদার তথ্য পায় না। এক উদ্দেশ্যে এখানে প্রবেশ করে হয়তো অন্যকিছু পেয়ে যান। এতে প্রচারণার বিপরীতে ক্রেতার প্রতিক্রিয়া অনিয়মিত হয়।
১২. তথ্যের সরবরাহ সম্পর্কে ক্রমাগত ভুল ধারণা : সোশাল মিডিয়ায় কী ধরনের এবং কী পরিমাণে তথ্য সরবরাহ করতে হবে সে সম্পর্কে অনেকেরই ধারণা থাকে না। তাই তা আগে বোঝা অনেক জরুরি বিষয় বলে মনে করেন টেকনলজি লিটারেট স্ট্র্যাটেজিক কনসালটেন্ট মার্ক অ্যানিবালি।
১৩. সব কাজ সোশাল মিডিয়ায় : ব্যবসার জন্য শুধুমাত্র সোশাল মিডিয়া কিছু নয়। এ জন্য ব্যক্তিগত নানা কার্যক্রম হাতে নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। তাই এখানে বিজ্ঞাপণ দিয়ে চুপচাপ বসে থাকাটা অবাস্তব।
১৪. ক্রেতার সঙ্গে যুক্ত না হওয়া : ক্রেতার সঙ্গে সব দিক থেকেই যুক্ত হতে হবে। ক্রেতাকে প্রশ্ন করতে হবে, তার মতামত চাইতে হবে, পণ্যের গুণগত মান বাড়াতে পরামর্শ নিতে হবে। সেইসঙ্গে কিছুটা সেন্স অব হিউমারও দেখাতে হবে। যেকোনো উপায়ে তাদের কাছে টানতে হবে। আবার শুধুমাত্র নিজের পণ্য নিয়ে নগ্নভাবে প্রচারণা চালানো উচিত নয়। এর সঙ্গে কাজে এমন অন্যান্য পরামর্শ দিতে হবে। এতে করে ক্রেতা আপনার ওপর নির্ভর করতে শুরু করবেন।
১৫. সবাইকে করেছে দেখে নিজেও করা : সবাইকে দেখে করতে গেলে সেখানে কোনো স্ট্র্যাটেজি থাকবে না। তাই নিজের প্রয়োজন বুঝে এবং সেখানে কী করবেন তা ঠিক করে নিয়ে প্রোফাইল খুলুন। অন্যকে দেখামাত্র নিজেও করতে গেলে আর সবার মতোই হবে।
১৬. এ সবকিছু সম্পর্কের উন্নয়ন তা না বোঝা : মনে রাখতে হবে, আপনি যাই করুন সবকিছুই আসলে সম্পর্কের উন্নয়নের জন্য করা হয়। তাই এখানে কট্টোর ব্যবসায়ী মনোভাব না দেখিয়ে ক্রেতার সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করুন।
Read More

ব্যবসার প্রচারণায় সোশাল মিডিয়ায় বা অনলাইন মার্কেটিং করতে যে ১৬টি ভুল অবশ্যই করবেন না

ব্যবসার প্রচারণায় সোশাল মিডিয়ায় বা অনলাইন মার্কেটিং করতে যে ১৬টি ভুল অবশ্যই করবেন না
সোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে ছোটখাটো ব্যবসা করতে গিয়ে অনেকেই নানা ভুল করে বসেন। ওয়াশিংটনের ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠার কনসালটেন্ট মারভিন পাওয়েল এসব ভুল সম্পর্কে জানতে চেয়ে প্রশ্ন রেখেছিলেন তার লিঙ্কএডিন পেজে। এর জবাব এসেছে বহু মানুষের কাছ থেকে। এখানে জেনে নিন ব্যবসার প্রচারে সোশাল মিডিয়া ব্যবহার করতে গিয়ে যে ১৬টি সাধারণ ভুল করা হয়।
মার্কেটিং
১. ম্যারাথন না ভেবে স্প্রিন্ট ভাবা : অনেকেই প্রথমে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় ব্যবসার প্রচারণা শুরু করেন। কিন্তু কিছু দিন যেতেই আর নিয়মিত থাকেন না। তাই এখানে ম্যারাথন দৌড়ের মতো এক গতিতে এগিয়ে যেতে হবে।
২. কোনো স্ট্র্যাটেজি না থাকা : এটা সবচেয়ে বড় সমস্যা হতে পারে। কোনো লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছাড়া সোশাল মিডিয়ায় প্রচারণা চালানোর কোনো অর্থ নেই। সঠিক সময়ে সঠিক বিষয় নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় না আসতে পারলে তাকে গুরুত্বের সহকারে দেখা হয় না।
৩. না শুনে বেশি কথা বলা : সোশাল মিডিয়া যোগাযোগের স্থান। এর মাধ্যমে প্রচার করুন আর যোগাযোগ স্থাপন করুন। এ ক্ষেত্রে খোশগল্প করার কিছু নেই। অন্য মানুষ যা বলতে চায় তা আপনাকে শুনতে হবে।
৪. বাজে তর্কে যাবেন না : তর্কের মাধ্যমে সোশাল মিডিয়ায় বাজে আবহ সৃষ্টি করা উচিত নয়। প্রায়ই পেশাদাররা সেখানে অনর্থক তর্ক করেন যা তাদের সুনাম ক্ষুন্ন করে বলে মনে করেন ইকমার্স কনসালটেন্ট পামেলা হ্যাজেলটন।
৫. প্রমোশনের জন্য অতি সময় ব্যয় করা : ছোট ব্যবসায়ীরা নিজের প্রমোশন করতেই সোশাল মিডিয়ায় অতিরিক্ত সময় ব্যয় করেন। অথচ একই সময় তাদের নিজেদের পণ্যের দিকেও লক্ষ্য রাখা প্রয়োজন।
৬. অবাস্তব আশা করা : অনেকে আবার একমাত্র সোশাল মিডিয়াকেই সফলতার একমাত্র মাধ্যম বলে মনে করেন এবং তা নিয়েই পড়ে থাকেন। তাদের আসলে অন্য উপায়েও চেষ্টা করে দেখা উচিত।
৭. বিষয়টিকে সংশ্লিষ্ট না করা : যে বিষয়েই প্রচারণা চালান তা যদি মানুষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট না হয় তবে সেখানে চোখ পড়বে না। ফলে যতোই নিয়মিত থাকুন আপনি, কেউ পড়বে না আপনার প্রচারণা।
৮. ক্রেতার জবাব না দেওয়া : ক্রেতার মন্তব্য না পাত্তা দেওয়া, নিয়মিত তাদের জবাব না দেওয়া, শুধুমাত্র প্রোমোশনাল উদ্দেশ্যে সামাজিক প্রোফাইল ব্যবহার করা এবং রুচিহীন ব্র্যান্ডিং ও ডিজাইনের দ্বারা ক্রমশ ক্রেতাশূন্য হয়ে পড়বে ব্যবসা।
৯. ব্যক্তিগত ও পেশাদারিত্বের পার্থক্য ভুলে যাওয়া : সোশাল মিডিয়াকে ব্যক্তিগত ও পেশাদার ক্ষেত্রে আলাদা করে নিন। যেমন- ফেসবুকের একটি প্রোফাইল একইসঙ্গে ব্যক্তিগত ও ব্যবসার কাজে ব্যবহার করবেন না। তবে লিঙ্কএডিন পেশা ক্ষেত্রে বেশ কাজের বলে মনে করেন টেকনলজি এক্সিকিউটিভ জর্জ এফ ফ্রাঙ্কস।
১০. অনুমান করা : ব্যবসা নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় কোনো অনুমান করা উচিত নয়। কারণ এতে ভুল থাকার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই যদি একান্ত প্রয়োজন না হয় তবে মার্কেটিংয়ের তথ্য-উপাত্ত নিয়ে এতো বিশ্লেষণ করার প্রয়োজন নেই। কারণ সোশাল মিডিয়া আসলে পণ্যের বিজ্ঞাপণের জন্য নয়। তাই এখান থেকে গাণিতিক উপাত্ত বের করতে পারবেন তেমন তথ্য-উপাত্ত পাবেন না।
১১. প্রথমে ব্যবসা এবং পরে ব্যক্তিগত প্রোফাইল : অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, প্রথমে সবাই ব্যবসার প্রোফাইল খুলে কিছু দিন পরই সেখানেই ব্যক্তিগ প্রোফাইল জুড়ে দেওয়া হয়। ফলে ক্রেতা নিয়মিতভাবে পেশাদার তথ্য পায় না। এক উদ্দেশ্যে এখানে প্রবেশ করে হয়তো অন্যকিছু পেয়ে যান। এতে প্রচারণার বিপরীতে ক্রেতার প্রতিক্রিয়া অনিয়মিত হয়।
১২. তথ্যের সরবরাহ সম্পর্কে ক্রমাগত ভুল ধারণা : সোশাল মিডিয়ায় কী ধরনের এবং কী পরিমাণে তথ্য সরবরাহ করতে হবে সে সম্পর্কে অনেকেরই ধারণা থাকে না। তাই তা আগে বোঝা অনেক জরুরি বিষয় বলে মনে করেন টেকনলজি লিটারেট স্ট্র্যাটেজিক কনসালটেন্ট মার্ক অ্যানিবালি।
১৩. সব কাজ সোশাল মিডিয়ায় : ব্যবসার জন্য শুধুমাত্র সোশাল মিডিয়া কিছু নয়। এ জন্য ব্যক্তিগত নানা কার্যক্রম হাতে নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। তাই এখানে বিজ্ঞাপণ দিয়ে চুপচাপ বসে থাকাটা অবাস্তব।
১৪. ক্রেতার সঙ্গে যুক্ত না হওয়া : ক্রেতার সঙ্গে সব দিক থেকেই যুক্ত হতে হবে। ক্রেতাকে প্রশ্ন করতে হবে, তার মতামত চাইতে হবে, পণ্যের গুণগত মান বাড়াতে পরামর্শ নিতে হবে। সেইসঙ্গে কিছুটা সেন্স অব হিউমারও দেখাতে হবে। যেকোনো উপায়ে তাদের কাছে টানতে হবে। আবার শুধুমাত্র নিজের পণ্য নিয়ে নগ্নভাবে প্রচারণা চালানো উচিত নয়। এর সঙ্গে কাজে এমন অন্যান্য পরামর্শ দিতে হবে। এতে করে ক্রেতা আপনার ওপর নির্ভর করতে শুরু করবেন।
১৫. সবাইকে করেছে দেখে নিজেও করা : সবাইকে দেখে করতে গেলে সেখানে কোনো স্ট্র্যাটেজি থাকবে না। তাই নিজের প্রয়োজন বুঝে এবং সেখানে কী করবেন তা ঠিক করে নিয়ে প্রোফাইল খুলুন। অন্যকে দেখামাত্র নিজেও করতে গেলে আর সবার মতোই হবে।
১৬. এ সবকিছু সম্পর্কের উন্নয়ন তা না বোঝা : মনে রাখতে হবে, আপনি যাই করুন সবকিছুই আসলে সম্পর্কের উন্নয়নের জন্য করা হয়। তাই এখানে কট্টোর ব্যবসায়ী মনোভাব না দেখিয়ে ক্রেতার সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করুন।
Read More

আপ্নার ব্লগ এর ট্রাফিক / ভিসিটর বারান, নতুন ব্লগার এর জন্য

আপ্নার ব্লগ এর ট্রাফিক / ভিসিটর বারান, নতুন ব্লগার এর জন্য
আমরা যারা নতুন তারা সর্বপ্রথম যে সমস্যায় পরি তা হল ট্রাফিক / ভিসিটর সমস্যা।
আজ আমি একটা সিক্রেট শেয়ার করব জাতে আপনি প্রতিদিন মিনিমাম ২০০ ভিসিটর পান।
১।প্রথমে, Stumble Upon এ Register করুন।
২।তারপর, প্রফাইল আপডেট করুন,
এই লিন্ক এ জান Stumble Upon Link Submit  এবং আপনার Link Submit করুন,
৩।আপনি একদিনে ১০-১৫ টি Link Submit করতে পারবেন।
৪।প্রথম প্রথম আপনি ১৫০-৩০০ ভিসিটর পাবেন।
5।আপনাকে ভিসিটর পেতে প্রতিদিন Link Submit করতে হবে।
StumbleStumble Submit
Stumble Submit 2
আমার পোষ্ট ভালো লাগলে Visit করতে পারেন
Read More

আপ্নার ব্লগ এর ট্রাফিক / ভিসিটর বারান, নতুন ব্লগার এর জন্য

আপ্নার ব্লগ এর ট্রাফিক / ভিসিটর বারান, নতুন ব্লগার এর জন্য
আমরা যারা নতুন তারা সর্বপ্রথম যে সমস্যায় পরি তা হল ট্রাফিক / ভিসিটর সমস্যা।
আজ আমি একটা সিক্রেট শেয়ার করব জাতে আপনি প্রতিদিন মিনিমাম ২০০ ভিসিটর পান।
১।প্রথমে, Stumble Upon এ Register করুন।
২।তারপর, প্রফাইল আপডেট করুন,
এই লিন্ক এ জান Stumble Upon Link Submit  এবং আপনার Link Submit করুন,
৩।আপনি একদিনে ১০-১৫ টি Link Submit করতে পারবেন।
৪।প্রথম প্রথম আপনি ১৫০-৩০০ ভিসিটর পাবেন।
5।আপনাকে ভিসিটর পেতে প্রতিদিন Link Submit করতে হবে।
StumbleStumble Submit
Stumble Submit 2
আমার পোষ্ট ভালো লাগলে Visit করতে পারেন
Read More

মাত্র কয়েক ঘন্টায় নিজের সাইটকে গুগলে ইন্ডেক্স করে নিন

মাত্র কয়েক ঘন্টায় নিজের সাইটকে গুগলে ইন্ডেক্স করে নিন
প্রথমে এখানে গিয়ে আপনার সাইটের একটা সাইটম্যাপ তৈরী করে নিন। সাইটম্যাপ তৈরী করার জন্য খালি বক্সটাতে আপনার সাইটের নাম দিয়ে সাবমিটে ক্লিক করে ফিনিশ করা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে সাইটম্যাপ তৈরী করা হয়ে গেলে ডাউনলোড করে নিন।সেটি আপনার সাইটের ফাইল ম্যানেজারে আপ্লোড করে ডাউনলিঙ্কটি সংরহে রাখুন।
তারপর এখানে যান। তারপর add a site click করুন। খালি বক্সে আপনার সাইটের নাম দিয়ে তারপর ক্লিক করুন। আপনার যদি সেলফ হোস্টেড সাইট হয় তবে প্রথম পদ্ধতিটা কার্যকর। তাইলে আপনি একটা ফাইল দেখতে পাবেন তা আপনার হোস্টিঙ্গের রুট বা www ফোল্ডারে আপলোড করে ভেরিফাই ক্লিক করুন। আর যারা ওয়াপকা বা এধরনের হোস্টিং ছাড়া সাইট ইউজ করেন তারা alternative মুডে গিয়ে html tag অপশন ক্লিক করে আপনার মেটা নেম এরকম একটা কোড দেখাবে <meta name=”google-site-verification” content=”ib2h1qaU4MH26GPnEa5MsiEyIdaBVVAxxxxxxxxxxx” /> অইটা কপি করে আপনার সাইটের হিডারে বসিয়ে ভেরিফাই ক্লিক করুন। এবার আইছে আসল কাজ । ওয়েবমাস্টার টুলসে আপনার সাইটের নামের উপর ক্লিক করে প্রবেশ করলে এরকম একটা পেজ দেখতে পাবেন।এবার submit a sitemap এ ক্লিক করে।খালি বক্সটাতে প্রথমে যে সাবমিট আপলোড করেছিলেন সেটার লিঙ্ক মেইন ডোমেইন বাদে খালি বক্সে লিখে দিন। অর্থাৎ সাইটম্যাপ লিঙ্ক এরকম হয় http://www.techtunes.com./sitemap তাহলে শুধু sitemap অংশটুকুই খালি বক্সে দিবেন।
এবার নিচের চিত্রের মত crawl এ ক্লিক করে fetch as google এ ক্লিক করুন।
Fetch-as-Google
তারপর আপনার কাংখিত পেইজ এড্রেসটি দিন। পুর এড্রেসটি দেয়া লাগবে না। মুল ডোমেইন নেম এর পরের অংশটুকু দিন। যেমন ধরুন আপনার কাংখিত পেইজ এড্রেসটি হচ্ছে http://yourdomain.com/my-new-page/, সে ক্ষেত্রে আপনি সুধু my-new-page এই অংশটুকু দিয়ে FETCH অপশনটিতে ক্লিক করুন।
Index-Your-Content
এর পর দেখুন আপনার FETCH অপশনটি সফল হয়েছে কিনা, সফল হয়ে থাকলে নিম্নের স্ক্রিনশট এর মত Complete দেখাবে।  সফল হওয়ার পর আপনি Submit to Index এই অপশন এ ক্লিক করবেন।
Quick-Content-Indexing-Tips
এই অপশন এ ক্লিক করার পর একটা পপ আপ আসবে দুইটা অতিরিক্ত অপশন সহ। যেখানে আপনাকে বাছাই করতে হবে আপনি কি শুধু নির্দিষ্ট পেইজ টিকেই ইন্ডেক্স করতে চাচ্ছেন নাকি এই পেইজ এর যত ইন্টারনাল লিঙ্ক আছে সেই পেইজ গুলাকেও ইন্ডেক্স করতে চাচ্ছেন। সাধারনত আপনি শুধু সেই পেইজটিকেই ইন্ডেক্স করতে চাইবেন, কেননা পুর্বের তৈরি পেইজ গুলো ইতিমধ্যেই ইন্ডেক্স হয়ে আছে বলে ধরা যায়। সব ইন্টারনাল লিঙ্ক সহ মুলত ইন্ডেক্স করার জন্য রিকোয়েষ্ট করা হয় যখন সাইট এর কন্টেন্ট এবং স্ট্রাকচার এ বড় ধরনের কোন পরিবর্তন আনা হয়। আপনি এক ওয়েবমাস্টার একাউন্ট থেকে ইন্টারনাল লিঙ্ক সহ পেইজকে ইন্ডেক্স এর অনুরোধ জানাতে পারবেন মাসে ১০ বার, অন্যদিকে শুধু নির্দিষ্ট পেইজ কে ইন্ডেক্স করার জন্য অনুরোধ জানাতে পারবেন মাসে ৬০০ বার।Google-Fetch-Option
সিলেক্ট করে Go তে ক্লিক করলেই শেষ। এই পদ্ধতিতে মোটামুটি ১০ মিনিটের মধ্যেই পেইজ ইন্ডেক্স হয়ে থাকে। তবে ক্ষেত্র বিশেষে কখনো কখনো দেরি হতে পারে।তাই আমরা কোন ঝূঁকি নিতে চাই না এবার আমরা ২৫০০ সাইটে আমদের সাইটের ব্যাক্লিঙ্ক তৈরী করব সেতা করার জন্য আমরা এই পেজে যাব seoget-2500-backlinks
তারপর খালি বক্সে আমাদের সাইটের নাম এবং দ্বিতীয় বক্সে কী-ওয়ার্ড দিয়ে সাবমিট করব।এতে কিছুক্ষণ সময় লাগতে পারে।তাই এটি কম্পিঊটার থেকে করতে হবে।
কোন কিছু বুঝতে অসুবিধা হলে এখানে কমেন্ট করুন।
Read More

মাত্র কয়েক ঘন্টায় নিজের সাইটকে গুগলে ইন্ডেক্স করে নিন

মাত্র কয়েক ঘন্টায় নিজের সাইটকে গুগলে ইন্ডেক্স করে নিন
প্রথমে এখানে গিয়ে আপনার সাইটের একটা সাইটম্যাপ তৈরী করে নিন। সাইটম্যাপ তৈরী করার জন্য খালি বক্সটাতে আপনার সাইটের নাম দিয়ে সাবমিটে ক্লিক করে ফিনিশ করা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে সাইটম্যাপ তৈরী করা হয়ে গেলে ডাউনলোড করে নিন।সেটি আপনার সাইটের ফাইল ম্যানেজারে আপ্লোড করে ডাউনলিঙ্কটি সংরহে রাখুন।
তারপর এখানে যান। তারপর add a site click করুন। খালি বক্সে আপনার সাইটের নাম দিয়ে তারপর ক্লিক করুন। আপনার যদি সেলফ হোস্টেড সাইট হয় তবে প্রথম পদ্ধতিটা কার্যকর। তাইলে আপনি একটা ফাইল দেখতে পাবেন তা আপনার হোস্টিঙ্গের রুট বা www ফোল্ডারে আপলোড করে ভেরিফাই ক্লিক করুন। আর যারা ওয়াপকা বা এধরনের হোস্টিং ছাড়া সাইট ইউজ করেন তারা alternative মুডে গিয়ে html tag অপশন ক্লিক করে আপনার মেটা নেম এরকম একটা কোড দেখাবে <meta name=”google-site-verification” content=”ib2h1qaU4MH26GPnEa5MsiEyIdaBVVAxxxxxxxxxxx” /> অইটা কপি করে আপনার সাইটের হিডারে বসিয়ে ভেরিফাই ক্লিক করুন। এবার আইছে আসল কাজ । ওয়েবমাস্টার টুলসে আপনার সাইটের নামের উপর ক্লিক করে প্রবেশ করলে এরকম একটা পেজ দেখতে পাবেন।এবার submit a sitemap এ ক্লিক করে।খালি বক্সটাতে প্রথমে যে সাবমিট আপলোড করেছিলেন সেটার লিঙ্ক মেইন ডোমেইন বাদে খালি বক্সে লিখে দিন। অর্থাৎ সাইটম্যাপ লিঙ্ক এরকম হয় http://www.techtunes.com./sitemap তাহলে শুধু sitemap অংশটুকুই খালি বক্সে দিবেন।
এবার নিচের চিত্রের মত crawl এ ক্লিক করে fetch as google এ ক্লিক করুন।
Fetch-as-Google
তারপর আপনার কাংখিত পেইজ এড্রেসটি দিন। পুর এড্রেসটি দেয়া লাগবে না। মুল ডোমেইন নেম এর পরের অংশটুকু দিন। যেমন ধরুন আপনার কাংখিত পেইজ এড্রেসটি হচ্ছে http://yourdomain.com/my-new-page/, সে ক্ষেত্রে আপনি সুধু my-new-page এই অংশটুকু দিয়ে FETCH অপশনটিতে ক্লিক করুন।
Index-Your-Content
এর পর দেখুন আপনার FETCH অপশনটি সফল হয়েছে কিনা, সফল হয়ে থাকলে নিম্নের স্ক্রিনশট এর মত Complete দেখাবে।  সফল হওয়ার পর আপনি Submit to Index এই অপশন এ ক্লিক করবেন।
Quick-Content-Indexing-Tips
এই অপশন এ ক্লিক করার পর একটা পপ আপ আসবে দুইটা অতিরিক্ত অপশন সহ। যেখানে আপনাকে বাছাই করতে হবে আপনি কি শুধু নির্দিষ্ট পেইজ টিকেই ইন্ডেক্স করতে চাচ্ছেন নাকি এই পেইজ এর যত ইন্টারনাল লিঙ্ক আছে সেই পেইজ গুলাকেও ইন্ডেক্স করতে চাচ্ছেন। সাধারনত আপনি শুধু সেই পেইজটিকেই ইন্ডেক্স করতে চাইবেন, কেননা পুর্বের তৈরি পেইজ গুলো ইতিমধ্যেই ইন্ডেক্স হয়ে আছে বলে ধরা যায়। সব ইন্টারনাল লিঙ্ক সহ মুলত ইন্ডেক্স করার জন্য রিকোয়েষ্ট করা হয় যখন সাইট এর কন্টেন্ট এবং স্ট্রাকচার এ বড় ধরনের কোন পরিবর্তন আনা হয়। আপনি এক ওয়েবমাস্টার একাউন্ট থেকে ইন্টারনাল লিঙ্ক সহ পেইজকে ইন্ডেক্স এর অনুরোধ জানাতে পারবেন মাসে ১০ বার, অন্যদিকে শুধু নির্দিষ্ট পেইজ কে ইন্ডেক্স করার জন্য অনুরোধ জানাতে পারবেন মাসে ৬০০ বার।Google-Fetch-Option
সিলেক্ট করে Go তে ক্লিক করলেই শেষ। এই পদ্ধতিতে মোটামুটি ১০ মিনিটের মধ্যেই পেইজ ইন্ডেক্স হয়ে থাকে। তবে ক্ষেত্র বিশেষে কখনো কখনো দেরি হতে পারে।তাই আমরা কোন ঝূঁকি নিতে চাই না এবার আমরা ২৫০০ সাইটে আমদের সাইটের ব্যাক্লিঙ্ক তৈরী করব সেতা করার জন্য আমরা এই পেজে যাব seoget-2500-backlinks
তারপর খালি বক্সে আমাদের সাইটের নাম এবং দ্বিতীয় বক্সে কী-ওয়ার্ড দিয়ে সাবমিট করব।এতে কিছুক্ষণ সময় লাগতে পারে।তাই এটি কম্পিঊটার থেকে করতে হবে।
কোন কিছু বুঝতে অসুবিধা হলে এখানে কমেন্ট করুন।
Read More

আসুন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শেখার কয়েকটি ব্লগের সাথে পরিচিত হই

আসুন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শেখার কয়েকটি ব্লগের সাথে পরিচিত হই
হ্যালো বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই আশা করি সকলে ভালো আছেন, আজ আমরা অনলাইনে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শেখার জনপ্রিয় কয়েকটি ব্লগ এর সাথে পরিচিত হব। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন হল এমন একটি প্রক্রিয়া যেটার মাধ্যমে আপনি আপনার ওয়েব সাইটি সবার কাছে পরিচিত করে তুলতে পারেন। তাই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শেখার কনো বিকল্প নাই আপনার ওয়েব সাইটের জন্য এবং এটা আপনি একটু ভালো করে অনলাইনে ঘাটাঘাটি করলে ভালো কিছু রিসোর্স পেয়ে যাবেন শেখার জন্য। তো চলুন এরকমি কিছু ভালো ব্লগের সাথে আজ আমরা পরিচিত হব
seo learn
Moz.com
হ্যাঁ বন্ধুরা প্রথমে আমরা যে ব্লগটির সাথে পরিচয় হব সেটা হল moz.com অনলাইনে খুব ভালো একটি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শেখার ব্লগ এটি এবং খুব জনপ্রিয়। আপনি এখানে নানা ধরনের আপডেট তথ্য পাবেন এসইও শেখার জন্য। Rand Fishkin and Gillian Muessig এই দুই জন মিলে এই ওয়েবসাইটি তৈরি করেছেন ২০০৪ সালে যেটার প্রধান অফিস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটেল, ওয়াশিংটনmoz.com এর অনেক গুলো এসইও টুলস আছে যে গুলো দিয়ে আপনি আপনার ওয়েবসাইটের অনেক কাজ করতে পারেনআশা করি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখতে আপনার এই ওয়েব সাইটি অনেক কাজে আসবে
Webmasterworld.com
এখন আমরা যে ওয়েবসাইটের সাথে পরিচয় হব সেটা হল Webmasterworld.com এই ওয়েবসাইটি অনেক বেশি পুপুলার ওয়েব এ। এখানে আপনি নানা ধরনের নিত্য নতুন এসইও টেকনিক জানতে পারবেন যদি আপনি ভালো করে এখানে দেওয়া নিয়ম গুলো ফলো করেন। আশা করি এই ব্লগ থেকে থেকে আপনি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখতে পারবেন
Seobook.com
বন্ধুরা এখন আমরা যে ব্লগটির সাথে পরিচয় হব সেটি হল Seobook.com এই ব্লগটি আপনার এসইও শেখার জন্য খুব সহায়ক হবে যদি আপনি এর দেওয়া সকল ধরনের তথ্যের সাথে আপডেট থাকেনএখানে আপনি পাবেন নানা ধরনের এসইও টুলস যেগুলো আপনার ওয়েবসাইটের জন্য দরকার হবে আশা করি এই ব্লগটি আপনি যদি ফলো করেন তাহলে এসইও সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারবেন
Google’s SEO Guidelines
Google’s SEO Guidelines এ গুগল এখানে তাদের সকল ধরনের আপডেট দিয়ে থাকে আপনি যদি এই সাইটা সব সময় ফলো করেন আশা করি নানা ধরনের এসইও টেকনিক শিখতে পারবেন। আশা করি Google’s SEO Guidelines এর মাধ্যমে অনেক কিছু শিখতে পারবেন
হুম বন্ধুরা আজ আর নয় এসইও শেখার জন্য যে কয়টি ব্লগ এর সাথে পরিচয় হলাম আশা করি আপনাদের কাজে আসবে, আগামিতে আরো ভালো কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হতে পারি সে পর্যন্ত সকলে ভালো থাকবেন
ধন্যবাদ  
Read More

আসুন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শেখার কয়েকটি ব্লগের সাথে পরিচিত হই

আসুন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শেখার কয়েকটি ব্লগের সাথে পরিচিত হই
হ্যালো বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই আশা করি সকলে ভালো আছেন, আজ আমরা অনলাইনে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শেখার জনপ্রিয় কয়েকটি ব্লগ এর সাথে পরিচিত হব। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন হল এমন একটি প্রক্রিয়া যেটার মাধ্যমে আপনি আপনার ওয়েব সাইটি সবার কাছে পরিচিত করে তুলতে পারেন। তাই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শেখার কনো বিকল্প নাই আপনার ওয়েব সাইটের জন্য এবং এটা আপনি একটু ভালো করে অনলাইনে ঘাটাঘাটি করলে ভালো কিছু রিসোর্স পেয়ে যাবেন শেখার জন্য। তো চলুন এরকমি কিছু ভালো ব্লগের সাথে আজ আমরা পরিচিত হব
seo learn
Moz.com
হ্যাঁ বন্ধুরা প্রথমে আমরা যে ব্লগটির সাথে পরিচয় হব সেটা হল moz.com অনলাইনে খুব ভালো একটি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শেখার ব্লগ এটি এবং খুব জনপ্রিয়। আপনি এখানে নানা ধরনের আপডেট তথ্য পাবেন এসইও শেখার জন্য। Rand Fishkin and Gillian Muessig এই দুই জন মিলে এই ওয়েবসাইটি তৈরি করেছেন ২০০৪ সালে যেটার প্রধান অফিস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটেল, ওয়াশিংটনmoz.com এর অনেক গুলো এসইও টুলস আছে যে গুলো দিয়ে আপনি আপনার ওয়েবসাইটের অনেক কাজ করতে পারেনআশা করি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখতে আপনার এই ওয়েব সাইটি অনেক কাজে আসবে
Webmasterworld.com
এখন আমরা যে ওয়েবসাইটের সাথে পরিচয় হব সেটা হল Webmasterworld.com এই ওয়েবসাইটি অনেক বেশি পুপুলার ওয়েব এ। এখানে আপনি নানা ধরনের নিত্য নতুন এসইও টেকনিক জানতে পারবেন যদি আপনি ভালো করে এখানে দেওয়া নিয়ম গুলো ফলো করেন। আশা করি এই ব্লগ থেকে থেকে আপনি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখতে পারবেন
Seobook.com
বন্ধুরা এখন আমরা যে ব্লগটির সাথে পরিচয় হব সেটি হল Seobook.com এই ব্লগটি আপনার এসইও শেখার জন্য খুব সহায়ক হবে যদি আপনি এর দেওয়া সকল ধরনের তথ্যের সাথে আপডেট থাকেনএখানে আপনি পাবেন নানা ধরনের এসইও টুলস যেগুলো আপনার ওয়েবসাইটের জন্য দরকার হবে আশা করি এই ব্লগটি আপনি যদি ফলো করেন তাহলে এসইও সম্পর্কে অনেক কিছু জানতে পারবেন
Google’s SEO Guidelines
Google’s SEO Guidelines এ গুগল এখানে তাদের সকল ধরনের আপডেট দিয়ে থাকে আপনি যদি এই সাইটা সব সময় ফলো করেন আশা করি নানা ধরনের এসইও টেকনিক শিখতে পারবেন। আশা করি Google’s SEO Guidelines এর মাধ্যমে অনেক কিছু শিখতে পারবেন
হুম বন্ধুরা আজ আর নয় এসইও শেখার জন্য যে কয়টি ব্লগ এর সাথে পরিচয় হলাম আশা করি আপনাদের কাজে আসবে, আগামিতে আরো ভালো কোন পোস্ট নিয়ে হাজির হতে পারি সে পর্যন্ত সকলে ভালো থাকবেন
ধন্যবাদ  
Read More

সোশ্যাল বুকমার্কিং কি এবং এর সুবিধা সমূহ কি কি? সাথে ৫০ টি সাইট লিস্ট।

সোশ্যাল বুকমার্কিং কি এবং এর সুবিধা সমূহ কি কি? সাথে ৫০ টি সাইট লিস্ট।
সোশ্যাল বুকমার্কিং এর গুরুত্ব ওয়েব মাস্টাররা সবাই জানেন, সাইটের seo করতে এর বিকল্প নেই। আর তাই সোশ্যাল বুকমার্কিং সাইটের ঠিকানাও জানা দরকার। ওয়েব মাস্টার দের কথা মনে রেখেই আমার এই টিউন। এখানে 50 -রও বেশি সোশ্যাল বুকমার্কিং সাইটের ঠিকানা দেয়া আছে। আশা করি কাজে আসবে সবার

সোশ্যাল বুকমার্কিং এর সুবিধা সমূহ কি কি?

বর্তমানে সোশ্যাল বুকমার্কিং সাইটগুলো শুধুমাত্র বুকমার্কিং এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং এতে যুক্ত হয়েছে সামাজিক যোগাযোগের নানা সেবা। এছাড়া সার্চ ইঞ্জিনগুলো তাদের ফলাফল প্রদর্শনের ক্ষেত্রে সোশ্যাল বুকমার্কিং এর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকে। নিন্মে সোশ্যাল বুকমার্কিং এর প্রধান প্রধান সুবিধাগুলো তুলে ধরা হল-
  •  খুব সহজেই যেকোন ধরনের লিংক শেয়ার ও সংরক্ষণ করা যায়।
  • প্রযোজনীয় লিংকগুলো অত্যন্ত সুন্দরভাবে ব্যাবস্থাপনা করা বা সাজিয়ে গুছিয়ে রাখা যায়।
  • “DoFollow Backling” পাওয়া যায়।
  • মানসম্পন্ন ভিজিটর পাওয়া যায়।
  • অন্য সদস্যদের সাথে বার্তা আদান প্রদান বা যোগাযোগ করা যায়।
  • গ্রুপ গঠন যায় এবং যেকোন গ্রুপে যোগদান করা যায়।
  • সোশ্যাল শেয়ারিং বাটন এর মাধ্যমে যে কোন সাইট থেকেই খুব সহজেই লিংক বুকমার্কিং করা যার।
  • অন্যদের শেয়ার করা লিংক থেকে খুব সহজেই নিজের প্রয়োজনীয় তথ্য খুজে পাওয়া যায়।
  • যেকোন লিংকের মানদন্ড বিচার করা যায় এবং অতিরিক্ত তথ্য ও টিউমেন্ট যোগ করা যায়।
50 Social Bookmark Site List
FreeSubmition.Com
FreeBacklinksiteList.Com
FreeBacklinkCreate.Com
CreateFreeBacklink.Com
MakeFreeBacklink.Com
BookmarkWebsiteList.Com
SocialBookmarkWeb.Com
FreeLinkSubmition.Com
Web2Backlink.Com
MakeBacklink.Com
FreeBookmarkWeb.Com
BookmarkSiteList.Com
FreeBookmarkk.Com
aFreeBookmark.Com
BookmarkLtd.Com
BestFreeBookmark.Com
BOOKMARK2SEO.COM
BACKLINKMAKE.COM
GoogleFreeBookmark.Com
QuickBookmark.Com
MakeaBookmark.Com
MySEObookmark.Com
HqBookmark.Com
MasterBookmark.Com
TopSeoLtd.Com
TopSEOInc.Com
BacklinkLtd.Com
WikipediaBookmark.Com
BookmarkHQ.Com
BookmarkCreate.Com
PeopleBookmark.Com
PostBookmark.Com
BookmarkCare.Com
LivePublicBookmark.Com
SEOLinkWeb.Com
InstaBookmark.Com
99Bookmark.Com
aPublicBookmark.Com
BacklinkHome.Com
SEObacklinkHome.Com
Free-Bookmark.Com
http://BookmarkDot.Com
http://BookmarkTech.Com
http://OnlineBookmarkWeb.Com
http://Global-Bookmark.Com
http://GeneralBookmark.Com
http://buyfastlike.com
http://SocialBookmarkLab.Com
http://SocialBookmarkPlus.Com
http://VipSocialBookmark.Com
Read More

সোশ্যাল বুকমার্কিং কি এবং এর সুবিধা সমূহ কি কি? সাথে ৫০ টি সাইট লিস্ট।

সোশ্যাল বুকমার্কিং কি এবং এর সুবিধা সমূহ কি কি? সাথে ৫০ টি সাইট লিস্ট।
সোশ্যাল বুকমার্কিং এর গুরুত্ব ওয়েব মাস্টাররা সবাই জানেন, সাইটের seo করতে এর বিকল্প নেই। আর তাই সোশ্যাল বুকমার্কিং সাইটের ঠিকানাও জানা দরকার। ওয়েব মাস্টার দের কথা মনে রেখেই আমার এই টিউন। এখানে 50 -রও বেশি সোশ্যাল বুকমার্কিং সাইটের ঠিকানা দেয়া আছে। আশা করি কাজে আসবে সবার

সোশ্যাল বুকমার্কিং এর সুবিধা সমূহ কি কি?

বর্তমানে সোশ্যাল বুকমার্কিং সাইটগুলো শুধুমাত্র বুকমার্কিং এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং এতে যুক্ত হয়েছে সামাজিক যোগাযোগের নানা সেবা। এছাড়া সার্চ ইঞ্জিনগুলো তাদের ফলাফল প্রদর্শনের ক্ষেত্রে সোশ্যাল বুকমার্কিং এর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকে। নিন্মে সোশ্যাল বুকমার্কিং এর প্রধান প্রধান সুবিধাগুলো তুলে ধরা হল-
  •  খুব সহজেই যেকোন ধরনের লিংক শেয়ার ও সংরক্ষণ করা যায়।
  • প্রযোজনীয় লিংকগুলো অত্যন্ত সুন্দরভাবে ব্যাবস্থাপনা করা বা সাজিয়ে গুছিয়ে রাখা যায়।
  • “DoFollow Backling” পাওয়া যায়।
  • মানসম্পন্ন ভিজিটর পাওয়া যায়।
  • অন্য সদস্যদের সাথে বার্তা আদান প্রদান বা যোগাযোগ করা যায়।
  • গ্রুপ গঠন যায় এবং যেকোন গ্রুপে যোগদান করা যায়।
  • সোশ্যাল শেয়ারিং বাটন এর মাধ্যমে যে কোন সাইট থেকেই খুব সহজেই লিংক বুকমার্কিং করা যার।
  • অন্যদের শেয়ার করা লিংক থেকে খুব সহজেই নিজের প্রয়োজনীয় তথ্য খুজে পাওয়া যায়।
  • যেকোন লিংকের মানদন্ড বিচার করা যায় এবং অতিরিক্ত তথ্য ও টিউমেন্ট যোগ করা যায়।
50 Social Bookmark Site List
FreeSubmition.Com
FreeBacklinksiteList.Com
FreeBacklinkCreate.Com
CreateFreeBacklink.Com
MakeFreeBacklink.Com
BookmarkWebsiteList.Com
SocialBookmarkWeb.Com
FreeLinkSubmition.Com
Web2Backlink.Com
MakeBacklink.Com
FreeBookmarkWeb.Com
BookmarkSiteList.Com
FreeBookmarkk.Com
aFreeBookmark.Com
BookmarkLtd.Com
BestFreeBookmark.Com
BOOKMARK2SEO.COM
BACKLINKMAKE.COM
GoogleFreeBookmark.Com
QuickBookmark.Com
MakeaBookmark.Com
MySEObookmark.Com
HqBookmark.Com
MasterBookmark.Com
TopSeoLtd.Com
TopSEOInc.Com
BacklinkLtd.Com
WikipediaBookmark.Com
BookmarkHQ.Com
BookmarkCreate.Com
PeopleBookmark.Com
PostBookmark.Com
BookmarkCare.Com
LivePublicBookmark.Com
SEOLinkWeb.Com
InstaBookmark.Com
99Bookmark.Com
aPublicBookmark.Com
BacklinkHome.Com
SEObacklinkHome.Com
Free-Bookmark.Com
http://BookmarkDot.Com
http://BookmarkTech.Com
http://OnlineBookmarkWeb.Com
http://Global-Bookmark.Com
http://GeneralBookmark.Com
http://buyfastlike.com
http://SocialBookmarkLab.Com
http://SocialBookmarkPlus.Com
http://VipSocialBookmark.Com
Read More

ব্যাকলিঙ্ক তৈরি নিয়ে সমস্যা ? সমাধান এবার হাতের মুঠোই !

ব্যাকলিঙ্ক তৈরি নিয়ে সমস্যা ? সমাধান এবার হাতের মুঠোই !
বর্তমান সময়ে এসইও সার্ভিস প্রোভাইডারদের জন্য ব্যাকলিঙ্ক তৈরি করা যেন এক বিভীষিকার নাম। অপটিমাইজারদের আয়ের ৬০ শতাংশ আসে এই লিঙ্কবিল্ডিং সার্ভিস থেকে। কিন্তু ক্রমে সেটার হ্রাস হচ্ছে। এর পেছনে একটাই কারন যে, গুগল এর পিএইচডি করা কর্মকর্তারা প্রতিনিয়ত তাদের এলগোরিদম আপডেট করতেছে।
এই এলগোরিদমের দোহাই দিয়েই দিয়েই আসলে অপটিমাইজাররা চলে, কিন্তু সমধান খুজে খুবই কম। এলগোরিদম কিন্তু মানুষ না, সুতরাং প্রোগ্রাম দিয়ে সেটা রান হয়। তাই প্রোগামের ফাক-ফোকর দিয়ে যে অনেক কিছু করা যায়, এটা সাধারন মাথায় সবাই জানি, কিন্তু এলগোরিদমকে ফাকি দেওয়ার বুদ্ধিটা নরমাল মাথায় আসে না।
ফাউ প্যাঁচাল পাড়তেছিলাম। আসল কথা হচ্ছে, লিঙ্কবিল্ডিং করতে হবে। তবে সেগুলো একটূ টেকনিক্যালি। যেন, গুগল এর আপডেটে আপনার সমস্যা না হয়, আবার আপনার র‍্যাঙ্কিং যেন বৃদ্ধি পাই। লিঙ্কবিল্ডিং এর জন্য বর্তমানে ভালো ডোমেইন অথোরিটি অথবা পেজ অথোরিটি না হলে পেনাল্টি খেতে হয়। যখন কোথাও লিঙ্ক বিল্ডিং করবেন, তখন একটু ওপেন সাইট এক্সপ্লোরারে স্প্যাম স্কোর চেক করে নিবেন। নিচে আমি একটা স্ক্রিনশর্ট দিয়ে দিলাম।

আজকে এমন একটি টুল এর সাথে পরিচয় করে দিব যে টুল দ্বারা আপনি যেকোনো নিশের উপর গুগল পেঙ্গুইন সেফ  ডু-ফলো ব্যাকলিঙ্ক, .EDU & .GOV ইত্যাদি টাইপের ব্যাকলিঙ্ক আপনি খুব সহজেই  তৈরি করতে পারবেন। বিস্তারিত আরও নিচে গেলে পাবেন।
যারা নতুন তাদের জন্য যেমন এই টুলসটি জরুরী আবার যারা পুরানো তাদের জন্যও এই টুলসটি জরুরী। তবে তার আগে একটু জেনে নেওয়া দরকার ব্যাকলিঙ্ক আসলে কেন প্রয়োজন?
  • সার্চ ইঞ্জিনে র‍্যাঙ্কিং এর জন্য লিঙ্ক বিল্ডিং অত্যন্ত জরুরী।
  • ব্র্যান্ড এক্সপোজের জন্য লিঙ্ক বিল্ডিং গুরুত্বপূর্ণ ।
  • লিঙ্ক বিল্ডিং গুগলকে পজিটিভ সিগন্যাল পাঠায়।
বিশ্লেষণ আর প্রয়োজনিতার কথা আসলে লিখে বোঝানো সম্ভব না। কেন বলছি? কারন এটা এমন একটা বিষয়, যা ফ্রাস্ট্রেশন দেই আবার হিউজ মানি দেই। কি কারনে দেই আর কারনে পেনাল্টি দেই এই পার্থক্য যখন নিজে নিজে বুঝতে পারবেন, তখন আসলে এই উপলব্ধিটা তৈরি হয়। তো চলুন দেখা যাক কিভাবে এই লিঙ্ক বিল্ডিং করার যে পদ্ধতিগুলো আছে সেগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু অংশঃ
  • ফোরাম পোস্টিং
  • ব্লগ কমেন্টিং
  • ডাইরেক্টরি সাবমিশন
  • আর্টিকেল সাবমিশন
  • সোশ্যাল বুকমার্কিং
  • গেস্ট ব্লগিং
  • .EDU ব্যাকলিঙ্কস
  • .GOV ব্যাকলিঙ্কস
আরও অনেক বিষয় আছে লিঙ্কবিল্ডিং এর জন্য। কিন্তু উপোরক্ত বিষয়গুলো খুবই গুরুত্ব সহকারে কদর করা হয়। :D এখন হইত আপনি ভাবছেন, এটা তো কমন জিনিস ভাই, হুদাই আজাইরা লিখতে আসছেন। ও ভাই থামেন! আমি এখনও শেষ করি নাই। :D
আপনি যদি উপরোক্ত পদ্ধতিগুলো নরমালি যেভাবে ব্যবহার করেন, সেইভাবে যদি ব্যবহার করেন তবে পেনাল্টি আপনার জন্য বরাদ্দ আছে নেক্সট বাজেটে। এর জন্য বলেছিলাম সফটওয়্যার কে ফাকি দেওয়া। সার্চ ইঞ্জিন তাদের এলগোরিদমে যেসব বিষয়গুলো স্প্যাম হিসেবে বিল্ড করে রেখছে, সেটাকে ফাকি দিতে হবে। যেহেতু এটা হিউম্যান দ্বারা হয় না, সুতরাং এলগোরিদম তার সীমার বাইরে যাওয়ার কোন ক্ষমতা নেই। :D
যে ধরনের ব্যাকলিঙ্ক সার্চ ইঞ্জিন সাইট এর জন্য পছন্দ করে। সেই ধরনের ব্যাকলিঙ্ক তৈরি করতে হবে। তো তৈরি আগে একটু জেনে নেওয়া প্রয়োজন যে আসলে কি ধরনের ব্যাকলিঙ্ক সার্চ ইঞ্জিন পছন্দ করেঃ
  • ন্যাচারাল ব্যাকলিঙ্ক
  • রিলেটেড ব্যাকলিঙ্ক
  • কন্টেক্সচুয়াল ব্যাকলিঙ্ক
  • ইন্টারনাল ব্যাকলিঙ্ক
  • স্প্যাম ফ্রী সাইট ব্যাকলিঙ্ক
  • হাই অথোরিটি সাইট
  • ম্যানুয়াল ব্যাকলিঙ্ক বিল্ডিং
  • লিঙ্ক আর্নিং
টেনশনে তো এবার। কারন ঘুরতে ঘুরতে আমি সেই মানি লসের দিকে যাচ্ছি। না সবগুলো পদ্ধতিতেই কাজ করতে হবে। কিন্তু একটু স্মার্টলি। আর এইসব কিছু মাত্র একটা টুলসের মাধ্যমে পাওয়া যায় তাহলে তো বোধ হয় টেনশন ফ্রী থাকার কথা। আর যদি ফ্রী হই তাহলে তো আর কথাই নাই। :D
হ্যা ফ্রী এবং সবকিছুই একসাথে পাবেন। আরও মনে হয় বেশিই পাবেন। টুলসটির নাম লিঙ্ক সার্চিং 

কিভাবে ব্যবহার করবেনঃ

১. যেভাবে রিলেটেড ফোরাম পোস্টিং সাইট খুজবেনঃ সার্চ বক্সে আপনি যে ধরনের সাইটে ব্যাকলিঙ্ক করতে চান, সেই রিলেটেড কি -ওয়ার্ড দিন । “ইনসার্ট ইউর কি -ওয়ার্ড” সেকশনে কি ওয়ার্ড দিন। অতঃপর পাশের সিলেক্ট অপশন থেকে ধাপে ধাপে সিলেক্ট করুন এবং সার্চ বাটনে ক্লিক করুন। সেকন্ডের মধ্যে আপনার রিলেটেড ফোরাম চলে আসবে।
উপোরক্ত একই পদ্ধতির মাধ্যমে আপনি ব্লগ কমেন্টিং,ডাইরেক্টরি সাবমিশন,আর্টিকেল সাবমিশন,সোশ্যাল বুকমার্কিং,গেস্ট ব্লগিং,.EDU ব্যাকলিঙ্কস, .GOV ব্যাকলিঙ্কস সাইট খুজে পাবেন। “Bonus Backlinks” সেকশন ব্যবহার করলে আরও অনেক ফিচার পাবেন। টূলস ব্যবহারে যদি কোন ধরনের সমস্যা হয়, তবে এই ভিডিওটি দেখে নিতে পারেন।
আর হ্যা টুলসটির সম্পর্কে ওয়ার্ল্ড ক্লাস মার্কেটারদের রিভিউ আছে। সুতরাং এটা নিঃসন্দেহে বলা যায়।আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে টুলস টি। আর কেমন লাগলো টুলস টি জানাতে ভুলবেন না। সবাই ভালো থাকবেন। :)
Read More

Facebook